মূলনিবাসী ফ্রন্টের ডাকে উলুবেড়িয়ার সমরুক হাটে একটি পথসভা
বর্তমান রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা জনগণকে প্রতিনিয়ত হোম-টাস্ক দিচ্ছে। তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা না দিয়ে, অন্যভাবে তাদেরকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখা হচ্ছে।
---- পীযুষ গায়েন
মূলনিবাসী ফ্রন্টের ডাকে উলুবেড়িয়ায় পথসভা
একত্রিশে আগস্ট ২০২৫ রবিবার মূলনিবাসী ফ্রন্টের ডাকে আই ইউ সির তত্ত্বাবধানে উলুবেড়িয়ার সমরুক হাটে একটি পথসভার আয়োজন করা হয়। ইভিএম এবং এস আই আর-এর বাই প্রোডাক্ট এনআরসির বিরুদ্ধে পথসভার আয়োজক মূলনিবাসী ফ্রন্টের সহযোগী গণতান্ত্রিক দল আই ইউ সি ।
এই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন মূলনিবাসী ফ্রন্টের সম্পাদক ও আই ইউ সি-র প্রেসিডেন্ট কাজী কামরুজ্জামান, আইইউসির সাধারণ সম্পাদক মোহিত কর, সম্পাদক রামপদ ঘোড়াই, মূলনিবাসী ফ্রন্টের প্রেসিডেন্ট পীযূষ গায়েন, বিশিষ্ট সমাজসেবী দামাল বাংলার নেতা মানিক ফকির ও শিখা মন্ডল, বিশিষ্ট আম্বেদকরবাদী লেখক ও সমাজসেবী দিলীপ গায়েন, মনিরুল হক আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
প্রবীণ ব্যক্তি মোহিত কর তিনি সভার সভাপতিত্ব করেন । অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আই ইউ সি প্রেসিডেন্ট কাজী কামরুজ্জামান ।
মূলনিবাসী ফ্রন্টের প্রেসিডেন্ট সম্মানীয় পীযুষ গায়েন ব্যাখ্যা করেন, চারটি গণতান্ত্রিক দল নিয়ে যে মূলনিবাসী ফ্রন্ট তৈরি হয়েছে, তাদের মূল আদর্শ। তিনি বলেন, আমরা বামপন্থী নয়, ডানপন্থী নয়, আমরা আম্বেদকরপন্থী।
আর এই দলগুলো হল আই ইউ সি, মূলনিবাসী পার্টি, ইনসাফ ও আম্বেদক রাইট পার্টি অফ ইন্ডিয়া এবং অন্যান্য আম্বেদকরবাদী সংগঠন। তাদের মূল লক্ষ্য প্রতিটি মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা। প্রতিটি মানুষের জন্য যে কাজটি রাষ্ট্রের করার কথা, বর্তমান রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা তা করছে না। তার পরিবর্তে প্রতিদিন বিভিন্ন রকম নতুন নতুন ইস্যু তৈরি করা হচ্ছে। আর মানুষকে সেই ইস্যুগুলোর পেছনে দৌড় করানো হচ্ছে। মানুষের সময়, শ্রম ও অর্থ নষ্ট করা হচ্ছে। বর্তমান রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা জনগণকে প্রতিনিয়ত হোমটাস্ক দিচ্ছে। তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য,কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা না দিয়ে অন্যভাবে তাদেরকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখা হচ্ছে।
মূলনিবাসী ফ্রন্টের প্রেসিডেন্ট সম্মানীয় পীযুষ গায়েন ব্যাখ্যা করেন, চারটি গণতান্ত্রিক দল নিয়ে যে মূলনিবাসী ফ্রন্ট তৈরি হয়েছে, তাদের মূল আদর্শ। তিনি বলেন, আমরা বামপন্থী নয়, ডানপন্থী নয়, আমরা আম্বেদকরপন্থী।
আর এই দলগুলো হল আই ইউ সি, মূলনিবাসী পার্টি, ইনসাফ ও আম্বেদক রাইট পার্টি অফ ইন্ডিয়া এবং অন্যান্য আম্বেদকরবাদী সংগঠন। তাদের মূল লক্ষ্য প্রতিটি মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা। প্রতিটি মানুষের জন্য যে কাজটি রাষ্ট্রের করার কথা, বর্তমান রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা তা করছে না। তার পরিবর্তে প্রতিদিন বিভিন্ন রকম নতুন নতুন ইস্যু তৈরি করা হচ্ছে। আর মানুষকে সেই ইস্যুগুলোর পেছনে দৌড় করানো হচ্ছে। মানুষের সময়, শ্রম ও অর্থ নষ্ট করা হচ্ছে। বর্তমান রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা জনগণকে প্রতিনিয়ত হোমটাস্ক দিচ্ছে। তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য,কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা না দিয়ে অন্যভাবে তাদেরকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখা হচ্ছে।
গণতান্ত্রিক দেশে জনগণের মতকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত, অথচ কয়েকজন ব্যক্তি তাদের মতকেই দেশের মানুষের উপরে চাপিয়ে দিচ্ছে। গণতন্ত্রের প্রধান স্তম্ভ ভোট। আর এই ভোটদান সঠিক গণতান্ত্রিক পদ্ধতি মেনেই হওয়া উচিত। জনগণ ইভিএম চাইছে না, অথচ এদেশে ইভিএম চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যে সমস্ত উন্নত দেশ ইভিএম আবিষ্কার করেছে, তারা এখন ইভিএম ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছে। অথচ ভারতে এখনও ইভিএম ব্যবহৃত হচ্ছে।
ইভিএম যেহেতু সন্দেহের উর্ধ্বে নয়, সে-কারণে ভিভিপ্যাট চালু হয়েছে। অথচ মজার ব্যাপার হল, সেই ভিভিপ্যাট গণনা হচ্ছে না। তিনি তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন গুটি কয়েক মানুষ কীভাবে গোটা দেশ লুটপাট করে খাচ্ছে এবং সেই সাথে আমাদেরকে তারা বিভিন্ন ভাবে হেনস্থা করছে প্রতি পদে পদে। অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করছে। তারা মূলনিবাসী বহুজন সমাজকে অর্থনৈতিকভাবে শোষণ করছে। তিনি আরও বলেন 26 হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল হয়েছে, সেটা ভয়াবহ দুঃখের বিষয়। তার থেকেও ভয়ংকর বিষয় হল, ভবিষ্যতে লক্ষ লক্ষ গ্রামের দরিদ্র মূলনিবাসী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত ধ্বংস করার চক্রান্ত চলছে। শিক্ষকবিহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চলছে। এটা বেশি যন্ত্রনাদায়ক।
পথসভায় উপস্থিত মূলনিবাসী মানুষ
প্রধান বক্তা মানিক ফকির,যাকে আমরা একবাক্যে চিনি NRC বিরোধী এক লড়াকু ব্যাক্তি হিসেবে, তিনি তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন কীভাবে বর্তমানে SIR এর কথা বলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারা NRC করানো হচ্ছে ! একের পর এক ডকুমেন্ট দাবি করে নির্বাচন কমিশন নাগরিকত্ব যাচাইয়ের কাজে নেমে পড়েছে । ভোটার আই কার্ড নির্বাচন কমিশন নিজেরাই ইস্যু করেছে, অথচ সেই ভোটার কার্ডকেই নির্বাচন কমিশন মান্যতা দিচ্ছে না ।
দ্বিতীয়তঃ পূর্বপুরুষদের অস্তিত্বের প্রমাণপত্র দাবি করছে। তিনি বলেন, সংবিধানের নাগরিক অধিকারের বিষয়ে ৫ থেকে ১১ নং অনুচ্ছেদে বিস্তারিত বলা আছে । ১১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নাগরিকত্বের অধিকার নিয়ন্ত্রণ করবে সংসদ। এই কাজ নির্বাচন কমিশনের নয় । অথচ সেই কাজে নির্বাচন কমিশন নেমে পড়েছে। অর্থাৎ কে বৈধ বা অবৈধ নাগরিক, তা ঠিক করা নির্বাচন কমিশনের কাজ নয় ।
নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হল উক্ত অনুচ্ছেদের অধীনে, নির্বাচন সংক্রান্ত সমস্ত কাজ পরিচালনা করবে। যার মধ্যে রয়েছে নির্বাচনী তফসিল নির্ধারণ, নির্বাচনী এলাকা নির্দিষ্ট করা, ভোটার তালিকা তৈরি, ভোট গ্রহণ, গণনা এবং ফলাফল ঘোষণা করা। সুতরাং এটা পরিষ্কার যে তারা অর্থাৎ ব্রাহ্মণ্যবাদী চক্র এদেশের খেটে খাওয়া মুলনিবাসী মানুষের বিরুদ্ধে অঘোষিত যুদ্ধ শুরু করেছে।এছাড়াও তিনি এ বিষয়ে আরও বিস্তৃত ব্যাখ্যা করেন ।
মাননীয়া শিখা মন্ডল বলেন- ওরা খেলা শুরু করেছে এবং আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব। ওরা আমাদের মধ্যে শুরু করেছে বিভেদের নীতি; হিন্দু-মুসলমানের লড়াই ! আমরা গড়ে তুলব মুলনিবাসী একতা। দিকে দিকে গড়ে তুলব মুলনিবাসী আন্দোলন। যে আন্দোলনের তাপে মনুবাদী ব্রাহ্মণ্যবাদীরা ছারখার হয়ে যাবে। শিখা মন্ডলের ভাষায় স্পষ্ট যে, মুলনিবাসী একতা ব্রাহ্মণ্যবাদের পরাজয় ডেকে আনতে সময় লাগবে না ।
মূলনিবাসী ফ্রন্টের সম্পাদক ও আইইউসি প্রেসিডেন্ট শ্রদ্ধেয় কাজী কামরুজ্জামান। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল গোলামী মুক্ত জীবনের সন্ধান। তিনি তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে তুলে ধরেন দীর্ঘদিন যাবৎ মনুবাদীদের ষড়যন্ত্রের কথা। তিনি বলেন, আমরা ইতিপূর্বে বহু পথসভা আয়োজন করেছি, আজও করছি, আগামী দিনেও করব। এই লড়াই ব্রাহ্মণ্যবাদের বিরুদ্ধে গোলামী থেকে মুক্তির লড়াই। আমরা এই SIR নামক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছি। আগামীতেও করতে থাকব।
দ্বিতীয়তঃ পূর্বপুরুষদের অস্তিত্বের প্রমাণপত্র দাবি করছে। তিনি বলেন, সংবিধানের নাগরিক অধিকারের বিষয়ে ৫ থেকে ১১ নং অনুচ্ছেদে বিস্তারিত বলা আছে । ১১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নাগরিকত্বের অধিকার নিয়ন্ত্রণ করবে সংসদ। এই কাজ নির্বাচন কমিশনের নয় । অথচ সেই কাজে নির্বাচন কমিশন নেমে পড়েছে। অর্থাৎ কে বৈধ বা অবৈধ নাগরিক, তা ঠিক করা নির্বাচন কমিশনের কাজ নয় ।
নাগরিকত্বের অধিকার নিয়ন্ত্রণ করবে সংসদ। এই কাজ নির্বাচন কমিশনের নয় । অথচ সেই কাজে নির্বাচন কমিশন নেমে পড়েছে। কে বৈধ বা অবৈধ নাগরিক তা ঠিক করা নির্বাচন কমিশনের কাজ নয় ।
---- মানিক ফকির
ভারতের সংবিধানের, অনুচ্ছেদ ৩২৪-এর অধীনে নির্বাচন কমিশনারের কাজের ক্ষমতা ও দায়িত্ব নির্ধারণ করা আছে। তার তত্ত্বাবধানে ও নির্দেশনায় ভারতের সংসদ ও রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন, রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতির নির্বাচন ইত্যাদি পরিচালনার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া আছে।নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হল উক্ত অনুচ্ছেদের অধীনে, নির্বাচন সংক্রান্ত সমস্ত কাজ পরিচালনা করবে। যার মধ্যে রয়েছে নির্বাচনী তফসিল নির্ধারণ, নির্বাচনী এলাকা নির্দিষ্ট করা, ভোটার তালিকা তৈরি, ভোট গ্রহণ, গণনা এবং ফলাফল ঘোষণা করা। সুতরাং এটা পরিষ্কার যে তারা অর্থাৎ ব্রাহ্মণ্যবাদী চক্র এদেশের খেটে খাওয়া মুলনিবাসী মানুষের বিরুদ্ধে অঘোষিত যুদ্ধ শুরু করেছে।এছাড়াও তিনি এ বিষয়ে আরও বিস্তৃত ব্যাখ্যা করেন ।
এটা পরিষ্কার যে তারা অর্থাৎ ব্রাহ্মণ্যবাদী চক্র এদেশের খেটে খাওয়া মুলনিবাসী মানুষের বিরুদ্ধে অঘোষিত যুদ্ধ শুরু করেছে ।মুসলমান সমাজের কিছু অভিজাত বর্ণবাদীদের দালাল মুসলমান ও হিন্দুত্ববাদের কিছু বর্ণবাদী নেতৃত্ব সমাজকে মৌলবাদী ধর্মীয় সুড়সুড়ি দিয়ে সমাজকে ভুল পথে পরিচালিত করছে। মুসলমান সমাজের মধ্যে ধর্মীয় ভাবে সুড়সুড়ি দেওয়ার কাজ চলছে আর এর ফায়দা নিচ্ছে BJP-RSS ! তাই তিনি বার বার মুসলমান সমাজের কাছে অনুরোধ করেন - "চিন্তাভাবনা করুন, কারা আমাদের শত্রু ; কারা আসল দেশদ্রোহী ।" সুতরাং তাঁর বক্তব্য থেকে এটা পরিষ্কার এই ধর্মীয় মেরুকরণ বন্ধ করতে হবে মূলনিবাসীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়তে হবে ।
মাননীয়া শিখা মন্ডল বলেন- ওরা খেলা শুরু করেছে এবং আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব। ওরা আমাদের মধ্যে শুরু করেছে বিভেদের নীতি; হিন্দু-মুসলমানের লড়াই ! আমরা গড়ে তুলব মুলনিবাসী একতা। দিকে দিকে গড়ে তুলব মুলনিবাসী আন্দোলন। যে আন্দোলনের তাপে মনুবাদী ব্রাহ্মণ্যবাদীরা ছারখার হয়ে যাবে। শিখা মন্ডলের ভাষায় স্পষ্ট যে, মুলনিবাসী একতা ব্রাহ্মণ্যবাদের পরাজয় ডেকে আনতে সময় লাগবে না ।
মূলনিবাসী ফ্রন্টের সম্পাদক ও আইইউসি প্রেসিডেন্ট শ্রদ্ধেয় কাজী কামরুজ্জামান। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল গোলামী মুক্ত জীবনের সন্ধান। তিনি তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে তুলে ধরেন দীর্ঘদিন যাবৎ মনুবাদীদের ষড়যন্ত্রের কথা। তিনি বলেন, আমরা ইতিপূর্বে বহু পথসভা আয়োজন করেছি, আজও করছি, আগামী দিনেও করব। এই লড়াই ব্রাহ্মণ্যবাদের বিরুদ্ধে গোলামী থেকে মুক্তির লড়াই। আমরা এই SIR নামক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছি। আগামীতেও করতে থাকব।
এই লড়াই ব্রাহ্মণ্যবাদের বিরুদ্ধে গোলামী থেকে মুক্তির লড়াই । আমরা এই SIR নামক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছি । আগামীতেও করতে থাকব।
শেখ হাবিবুর রহমান আম্বেদকরের উপর স্বরচিত এক অসাধারণ গান গেয়ে শ্রোতাদের অভিভূত করে দেন। এছাড়াও দিলীপ গায়েন, সৈয়দ মনিরুল হক, রামপ্রসাদ ঘোড়াই মহাশয়, মাননীয় মোহিত কর মহাশয় বক্তব্য রাখেন। তাদের বক্তব্যের মাধ্যমে একটা কথাই উঠে এসেছে বার বার - ব্রাহ্মণ্যবাদী ষড়যন্ত্র থেকে মুক্তির কথা। এসআইআর, ইভিএম - এ সবই ব্রাহ্মণ্যবাদী ষড়যন্ত্র। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই বিষয়ে ব্যাপক প্রচার দরকার !
-------xx--------


